1. savarbarta247@gmail.com : Savar Barta24 : Savar Barta24
  2. admin@savarbarta24.com : savarbarta :
রোমাঞ্চকর লিক্ষিয়াং ঝর্ণা ভ্রমন - সাভার বার্তা
শুক্রবার, ২৩ জুলাই ২০২১, ১১:৫৪ অপরাহ্ন
শীর্ষ বার্তা
ঈদ-উদ-আযহায় সাভারবাসীকে শুভেচ্ছা সাভারে তৃতীয় লিঙ্গ সম্প্রদায়কে ঈদ সামগ্রী বিতরণ করলেন উপজেলা চেয়ারম্যান রাজীব জনকল্যাণে কাজের আন্তরিকতাই সমরকে করেছে সাভারের মডেল ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ধামরাইয়ে পিকআপ ভর্তি গাজাসহ ২ জনকে আটক করেছে র‍্যাব সমালোচনা না করে করোনা সংক্রমণ রোধে একযোগে কাজ করার আহবান শেখ হাসিনার কারাবরণ দিবসে ঢাকা জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত সাভারে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে তীব্র যানজট সৃষ্টি সাভারে জমে উঠছে কোরবানির পশুর হাটগুলো সাভারে প্রধানমন্ত্রীর নাম ভাঙ্গিয়ে ৯ তলা ভবন দখলের চেষ্টা, ৬ প্রতারক গ্রেফতার রোমাঞ্চকর লিক্ষিয়াং ঝর্ণা ভ্রমন

আজকের দিন-তারিখ

  • শুক্রবার (রাত ১১:৫৪)
  • ২৩শে জুলাই, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
  • ১২ই জিলহজ, ১৪৪২ হিজরি
  • ৮ই শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ (বর্ষাকাল)

রোমাঞ্চকর লিক্ষিয়াং ঝর্ণা ভ্রমন

  • Update Time : রবিবার, ১১ জুলাই, ২০২১

সজল জাহিদ, ভ্রমনকারী লেখক

রেমাক্রি থেকে নৌকায় গ্রুপিংপাড়ায় এলাম। গ্রুপিংপাড়া থেকে শুরু হলো আমাদের লিক্ষিয়াং ঝর্ণায় যাওয়ার আসল ট্রেকিং। পাড়া থেকে ভেতরে ঢুকে যেতেই জঙ্গল শুরু হলো। শুরুর পথটা ছিল মনোমুগ্ধকর। গ্রুপিংপাড়া থেকে সবাই লাইন ধরে এগিয়ে যাচ্ছিলাম একজন লোকাল গাইডের নির্দেশনা মেনে। কিছুক্ষণ পরে সুউচ্চ গাছের শুকনো বন পেরিয়ে গেলাম।

১৫ মিনিট চলতে থাকলাম। কিছুটা সমতল পথে চলার পর ধীরে ধীরে আমরা উঁচুতে উঠতে শুরু করলাম।

২০ মিনিটের কাদাজলের পথ। ধপাস করে পড়ে গেলাম পিচ্ছিল পথে। এরপর সোজা ঝিরিপথের দিকে এগিয়ে যেতে শুরু করলাম। ঝিরিপথ শুরু হলো। শুরুতে ঝিরিপথ ছিল নিরাপদ। ১৫ মিনিটের মধ্যেই সেই পথ ভয়ংকর এক পথে রূপ নিয়েছিল।

আমরা রোমাঞ্চকর পথে চলতে শুরু করেছিলাম। আমাদের সঙ্গে মোটামুটি তিনজন গাইড ছিল সেদিন। একজন আমাদের থানচির মূল গাইড, একজন গ্রুপিংপাড়ার লোকাল গাইড আর একজন ছিল ইন্টার্ন গাইড। প্রায় ৩০ মিনিট ঝিরিপথে চলার পর বিশাল একটা পাহাড়ের গোড়ায় গিয়ে সবাই একত্র হলাম। আমরা বুঝতে পারলাম, আসলে পাহাড়ে চড়া শুরু হবে। এরপর আরো খাড়া, সরু পাহাড়ি ট্রেইল ধরে বাঁশের সহায়তা নিয়ে, গাছের ডাল ও শিকড়ের সাহায্যে অনেকটা কষ্ট করে পাহাড়ের চূড়ায় গিয়ে সবাই বিশ্রাম নিতে বসে পড়লাম। আমরা সবাই হালকা খাবার, পানি, চা, খেজুর আর চকলেট দিয়ে নিজেদের সতেজ করে নিলাম। এরপর আবার উঠে পড়লাম।

এবার নামার পালা। তবে সেই পাহাড় বেয়ে নামাটা ছিল ওঠার চেয়েও ঝুঁকিপূর্ণ ও কষ্টকর। প্রায় ২০ মিনিটের পথ। তারপর আবার ঝিরিপথ। কিছুটা এগিয়ে যাওয়ার পর একটা কাজুবাগান, দারুণ একটা জুমঘর, জুমের পাহাড় পেরিয়ে আবার শুরু হলো ঝিরিপথ। এরপর লিক্ষিয়াং পর্যন্ত সবটুকুই ঝিরিপথ। প্রায় পুরো ঝিরিপথই ছিল নানা রকম ছোট-বড়-মাঝারি পাথর, ঘন অরণ্য, ঘাস-লতাপাতায় অন্ধকারাচ্ছন্ন।

দুই ঘণ্টার বেশি সময় কেটে গেছে আমাদের ঝিরিপথেই। সবাই যখন বেশ ক্লান্ত, প্রায় তিন ঘণ্টার কাছাকাছি সময় ট্রেক করা হয়ে গেছে। তখন কয়েকজনকে দেখা গেল, যারা লিক্ষিয়াং দেখে ফিরে আসছে। তাদের কাছে জানতে পারলাম, আর মাত্র ১৫-২০ মিনিট পথ চললেই পৌঁছে যাব আমাদের গন্তব্যে। দেশের সবচেয়ে উঁচু ঝর্ণাধারা লিক্ষিয়াংয়ের কাছে। কিন্তু সামনের পথটুকু আগের চেয়ে বিশাল বিশাল পিচ্ছিল পাথর পেরিয়ে, স্যাঁতসেঁতে অরণ্য দিয়ে যেতে হবে লিক্ষিয়াংয়ের পথে। অবশেষে বিশাল পাথর আর পুরোনো লতাপাতার ভেতর দিয়ে দূরে দেখা দিল দেশের উচ্চতম লিক্ষিয়াং ঝর্ণা। সে অন্যরকম অনুভূতি, অদ্ভুত শিহরণ।

বি:দ্র: এখানে ভ্রমনকারী তার নিজস্ব অভিজ্ঞতার আলোকে তথ্যসংবলিত লেখাটি লিখে থাকেন, যদি কোন তথ্য ত্রুটি পরিবর্তন ঘটে থাকে তার দায় সাভারবার্তা টোয়েন্টিফোর ডটকম নিবেন না বলে ঘোষণা করে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved @ savarbarta24.com | 2014-2021
Desing BY Mutasim Billa