ফ্ল্যাট বা প্লট ক্রেতারা পাবেন সহজ শর্তে ব্যাংকঋণ

বার্তা ডেস্ক: আবাসন সুবিধা মধ্যবিত্ত ও উচ্চ মধ্যবিত্তের সাধ ও সাধ্যের মধ্যে আনতে সহজ শর্তে ঋণ নিয়ে এসেছে আর্থিক প্রতিসমানগুলো। দীর্ঘ মেয়াদি কিস্তি আর ১০ থেকে ১২ শতাংশ সুদে পাওয়া যাচেছ এই ঋণ। এছাড়া প্রতিষ্ঠানগুলো সর্বোচ্চ ঋণ দিচেছ ১ থেকে ২ কোটি টাকা। একটি ফ্লাটের জন্য সর্বোচ্চ ৭০ শতাংশ ঋণ সুবিধা দেওয়া হয়। রাজধানীর শেরে বাংলানগরে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত ৫ দিনব্যাপি রিহ্যাব আয়োজিত আবাসন মেলায় অংশ নেওয়া আর্থিক খাতের প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা এসব তথ্য জানিয়েছে।

মেলা ঘুরে দেখা যায়, আবাসন খাতে ব্যাংক ঋণ সুবিধা দিতে মেলায় অংশ নিয়েছে দেশের নামকরা সব আর্থিক প্রতিষ্ঠান। এরমধ্যে আছে স্টান্ডার্ড চার্টাড ব্যাংক, ব্যাংক এশিয়া, ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড, ডাচ বাংলা ব্যাংক, আইএফআইসি ব্যাংক, মিচুয়্যাল ট্রাস্ট ব্যাংক, প্রাইম ব্যাংক ও সিটি ব্যাংক। এছাড়া নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে আছে ডিবিএইচ, আইডিএলসি, আইপিডিসি ফিন্যান্স, লংকা বাংলা এবং ন্যাশনাল হাউজিং।

স্ট্যান্ডার্ড চার্টাড ব্যাংকের কর্মকর্তা রোকসানা পারভীন শাপলা বলেন, মেলা উপলক্ষ্যে ৯ দশমিক ৯ শতাংশ সুদে আবাসন ঋণের সুবিধা দিচেছ তার ব্যাংক। অন্য সময় তাদের এই সুদের হার সাড়ে ১০ থেকে ১১ শতাংশ। ২০ থেকে ৩০ বছর মেয়াদে ১ কোটি ২০ লাখ থেকে ২ কোটি টাকা পর্যন্ত এই ঋণ দেওয়া হয়। সর্বোচ্চ সময় লাগে ৭ থেকে ১০ কর্মদিবস।

ব্যাংক এশিয়ার কর্মকর্তা মো. শাহাব উদ্দিন জানান, ব্যাংক এশিয়া মাত্র ১০ শতাংশ সুদে আবাসন খাতে ঋণ দেয়। সর্বোচ্চ ঋণের পরিমাণ ২ কোটি টাকা। এক মাসের মধ্যে এই ঋণ ছাড় দেওয়া হয় বলে তিনি জানান। তবে দীর্ঘমেয়াদি ঋণ সুবিধা দিলেও ব্যাংকটির কিছু অগ্রাধিকার আবাসন প্রতিষ্ঠান আছে। এর মধ্যে অন্যতম বসুন্ধরা, নাভানা, বিটিআই, রুপায়ন, অ্যাসুরেন্সের মতো দেশের শীর্ষস্থানীয় আবাসন প্রতিষ্ঠান।

ব্যাংক ঋণ সম্পর্কে জানতে চাইলে রিহ্যাবের প্রথম সহসভাপতি লিয়াকত আলী মিলন বলেন, ‘আবাসন খাতে ঋণ দেওয়ার ব্যাপারে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো বেশ উদার। তবে ব্যাংক ঋণের সুদের হার এক অংকে নিয়ে আসা গেলে এই ব্যবসার প্রসার আরো বাড়বে। সরকারের কাছে এ ব্যাপারে দাবি জানিয়ে আসছি। আশা করছি শিগগিরিই তা কার্যকর হবে।’ এছাড়া ফ্লাট ও প্লটের রেজিষ্ট্রেশন ফিও কমিয়ে আনার দাবি জানান তিনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *