অনলাইন পত্রিকায় অভ্যস্ত হতে পরামর্শ দিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

বার্তা রিপোর্টঃ প্রযুক্তি ও আধুনিকতার প্রভাবে বিবর্তন আসতেই থাকবে। এটা স্বাভাবিক। সংবাদ মাধ্যমের পরিবর্তনের ধারায় অনলাইন সংবাদমাধ্যমকে গ্রহণ করে তাতে অভ্যস্ত হয়ে ওঠার জন্য সকলকে পরামর্শ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শুক্রবার (২৬ এপ্রিল) নিজ বাসভবন গণভবনে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

গত ২১-২৩ এপ্রিল ব্রুনাইয়ে সরকারি সফর করে আসার পর এই সাংবাদিক সম্মেলন ডাকেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তাতে সফর সংক্রান্ত মূল বক্তব্য শেষ করার পর সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছিলেন তিনি।

দেশে সংবাদপত্র শিল্প নানামুখী সংকটে পড়েছে এমন প্রসঙ্গের অবতারণা করে একটি প্রশ্ন করা হলে তার উত্তরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এটা হচ্ছে একটা যুগের অথবা প্রযুক্তির প্রভাব। প্রযুক্তি ও আধুনিকতার এই প্রভাবে কালের বিবর্তন আসতেই থাকবে।

প্রযুক্তির উন্নতির ফলে আধুনিক যুগে পৃথিবীর বহু দেশে অনেক নামিদামি পত্রিকা বন্ধ হয়ে গেছে। ছাপা কাগজের পরিবর্তে সেখানে অনলাইন সংস্করণগুলো চলছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

তিনি বলেন ‘অনেক নামিদামি পত্রিকা শুধু অনলাইনেই চলে; ছাপানোটা আর হয় না, একদম নাই। এ রকম বহু নামকরা পত্রিকা এখন চলে গেছে অনলাইনে। কাগজ আর ব্যবহারই হয় না’।

শেখ হাসিনা বলেন, বিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হবে, এটাই হলো বড় কথা।

তবে প্রযুক্তির এই ব্যবহারে সচেতনতার প্রয়োজন রয়েছে বলেও জোর দিয়ে উল্লেখ করেন শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, প্রযুক্তি মানুষকে সুযোগ সৃষ্টি করে দেয়, আরও আধুনিকতা এনে দেয় এ কথা ঠিক, প্রযুক্তি আবার সমস্যাও সৃষ্টি করে।

আমরা যদি একই ধারাবাহিকতায় চলতে থাকি, তাহলে কিন্তু হবে না, বলেন তিনি।

সংবাদপত্রের এই বেহাল অবস্থার কথা উল্লেখ করতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের দেশের মতো এত পত্রিকা পৃথিবীর কোনো দেশে নেই।

সিঙ্গাপুরের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, দেশটি মাত্র একটা পত্রিকা। সেটাও সরকার স্পনসর্ড। ‘আমাদের মতো এত পত্রিকা কিন্তু কোনো দেশে নেই’, বলেন তিনি।

টেলিভিশন শিল্প বিজ্ঞাপন বাজার নীতির কারণে অনেকটা ক্ষতিগ্রস্ত, সাংবাদিকদের তরফ থেকে সে প্রসঙ্গ উত্থাপন করা হলে শেখ হাসিনা বলেন, এক দিকে টেলিভিশন সংকটে অন্যদিকে অনেকেই নতুন নতুন টেলিভিশন চাইছেন। এটা তো হতে পারে না।

আরও টেলিভিশন চ্যানেলের অনুমতি দিচ্ছেন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এতে অন্তত আরও কিছু মানুষের কর্মসংস্থান হবে।

তিনি বলেন, ‘ভালো অনুষ্ঠান যারা করবে, তাদের প্রতি মানুষের আকর্ষণ হবে, মানুষ দেখবে। আমাদেরও তো ১৬ কোটি মানুষের দেশ। গ্রাহক কখনো কমবে না, এটুকু বলতে পারি।’

ওয়েজ বোর্ড কার্যকর করা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমি সরকারের পক্ষ থেকে ওয়েজবোর্ড নিয়ে যেটা করণীয় সেটা আমরা করে দিয়েছি। এটি নির্ভর করছে মালিকপক্ষ কতটুকু বাস্তবায়ন করবে তার ওপর। সাংবাদিকরা সেখান থেকে যতটুকু আদায় করে নিতে পারেন সেটাও দেখার বিষয়, বলেন শেখ হাসিনা।

রিপোর্টঃ প্রযুক্তি ও আধুনিকতার প্রভাবে বিবর্তন আসতেই থাকবে। এটা স্বাভাবিক। সংবাদ মাধ্যমের পরিবর্তনের ধারায় অনলাইন সংবাদমাধ্যমকে গ্রহণ করে তাতে অভ্যস্ত হয়ে ওঠার জন্য সকলকে পরামর্শ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শুক্রবার (২৬ এপ্রিল) নিজ বাসভবন গণভবনে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

গত ২১-২৩ এপ্রিল ব্রুনাইয়ে সরকারি সফর করে আসার পর এই সাংবাদিক সম্মেলন ডাকেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তাতে সফর সংক্রান্ত মূল বক্তব্য শেষ করার পর সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছিলেন তিনি।

দেশে সংবাদপত্র শিল্প নানামুখী সংকটে পড়েছে এমন প্রসঙ্গের অবতারণা করে একটি প্রশ্ন করা হলে তার উত্তরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এটা হচ্ছে একটা যুগের অথবা প্রযুক্তির প্রভাব। প্রযুক্তি ও আধুনিকতার এই প্রভাবে কালের বিবর্তন আসতেই থাকবে।

প্রযুক্তির উন্নতির ফলে আধুনিক যুগে পৃথিবীর বহু দেশে অনেক নামিদামি পত্রিকা বন্ধ হয়ে গেছে। ছাপা কাগজের পরিবর্তে সেখানে অনলাইন সংস্করণগুলো চলছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

তিনি বলেন ‘অনেক নামিদামি পত্রিকা শুধু অনলাইনেই চলে; ছাপানোটা আর হয় না, একদম নাই। এ রকম বহু নামকরা পত্রিকা এখন চলে গেছে অনলাইনে। কাগজ আর ব্যবহারই হয় না’।

শেখ হাসিনা বলেন, বিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হবে, এটাই হলো বড় কথা।

তবে প্রযুক্তির এই ব্যবহারে সচেতনতার প্রয়োজন রয়েছে বলেও জোর দিয়ে উল্লেখ করেন শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, প্রযুক্তি মানুষকে সুযোগ সৃষ্টি করে দেয়, আরও আধুনিকতা এনে দেয় এ কথা ঠিক, প্রযুক্তি আবার সমস্যাও সৃষ্টি করে।

আমরা যদি একই ধারাবাহিকতায় চলতে থাকি, তাহলে কিন্তু হবে না, বলেন তিনি।

সংবাদপত্রের এই বেহাল অবস্থার কথা উল্লেখ করতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের দেশের মতো এত পত্রিকা পৃথিবীর কোনো দেশে নেই।

সিঙ্গাপুরের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, দেশটি মাত্র একটা পত্রিকা। সেটাও সরকার স্পনসর্ড। ‘আমাদের মতো এত পত্রিকা কিন্তু কোনো দেশে নেই’, বলেন তিনি।

টেলিভিশন শিল্প বিজ্ঞাপন বাজার নীতির কারণে অনেকটা ক্ষতিগ্রস্ত, সাংবাদিকদের তরফ থেকে সে প্রসঙ্গ উত্থাপন করা হলে শেখ হাসিনা বলেন, এক দিকে টেলিভিশন সংকটে অন্যদিকে অনেকেই নতুন নতুন টেলিভিশন চাইছেন। এটা তো হতে পারে না।

আরও টেলিভিশন চ্যানেলের অনুমতি দিচ্ছেন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এতে অন্তত আরও কিছু মানুষের কর্মসংস্থান হবে।

তিনি বলেন, ‘ভালো অনুষ্ঠান যারা করবে, তাদের প্রতি মানুষের আকর্ষণ হবে, মানুষ দেখবে। আমাদেরও তো ১৬ কোটি মানুষের দেশ। গ্রাহক কখনো কমবে না, এটুকু বলতে পারি।’

ওয়েজ বোর্ড কার্যকর করা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমি সরকারের পক্ষ থেকে ওয়েজবোর্ড নিয়ে যেটা করণীয় সেটা আমরা করে দিয়েছি। এটি নির্ভর করছে মালিকপক্ষ কতটুকু বাস্তবায়ন করবে তার ওপর। সাংবাদিকরা সেখান থেকে যতটুকু আদায় করে নিতে পারেন সেটাও দেখার বিষয়, বলেন শেখ হাসিনা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *